সম্মানিত অভিভাবক, আসসালামু আলাইকুম.
সন্তানকে ইসলামি শিক্ষায় শিক্ষিত করা প্রত্যেক মুসলিম পিতা-মাতার জন্য ফরজ। আল্-হামদুলিল্লাহ্, শিশুবান্ধব আনন্দময় এসি ও মাল্টিমিডিয়া সমৃদ্ধ পরিবেশে ইসলামি ও স্কুল শিক্ষার সমন্বয়ে গড়ে উঠেছে একটি আধুনিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান “স্কুল অভ দা হলি কুরআন”। এখানে নার্সারি শ্রেণি থেকে স্পোকেন ইংলিশ বাধ্যতামূলক। হাতের লেখা ও ড্রইং এর জন্য প্রশিক্ষিত শিক্ষক এবং আধুনিক শিক্ষা উপকরণের ব্যবস্হা রয়েছে। এখানে একজন শিক্ষার্থী PECE পাশের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মানের কুরআন তিলাওয়াত শিখবে,কুরআনের পূর্ণ বা আংশিক হাফেজ হবে,ইংরেজি ও আরবি ভাষায় অভ্যস্থ হবে। এখানে JSC পাসের পাশাপাশি কুরআনের অনুবাদ শিখবে,SSCপাশের পাশাপাশি কুরআনের তাফসির শিখবে এবং HSC পাসের পাশাপাশি সংকলিত দাওরায়ে হাদিস শেষ করবে,ইনশাআল্লাহ্। এছাড়া এখানে একজন শিক্ষার্থী মদিনা বিশ্ববিদ্যালয়, আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার উপযোগি হয়ে গড়ে উঠবে। আর দেশি বিশ্ববিদ্যালয়,প্রকৌশল ও মেডিকেল পড়ার সুযোগ খোলা থাকছেই। সুতরাং এখানে আপনি সন্তানকে ভর্তি করে আপনার ফরজ দায়িত্ব পালন এবং দুনিয়া ও আখিরাত উভয় ক্ষেএে তাকে সকল হতে সহায়তা করুন। আরও...
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ তা’য়ালার, যিনি দয়াময়,যিনি মানুষকে কুরআন শিক্ষা দিয়েছেন। দরুদ ও সালাম সেই রাসুলের (সঃ) প্রতি যিনি কুরানের আলোয় আলোকিত করেছিলেন আরবের বর্বর জাতিকে। প্রিয় অভিবাবক/অভিভাবিকা আসসালামু আলাইকুমওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। আপনার সন্তানের জন্য কেবল বাড়ি ,গাড়ি ও জমিতে বিনিয়োগ নয় বরং তার সুশিক্ষায় অধিক বিনিয়োগ করুন। মুসলমানদের জন্য কুরআন কেন্দ্রিক শিক্ষাই হচ্ছে সুশিক্ষা । আপনার সন্তানের জন্য কুরআন কেন্দ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থার দ্বার উন্মুক্ত করেছে “ স্কুল অব দা হলি কুরআন ” ।
প্রিয় মুসলিম ভাই / বোন ,
আপনি যদি ইতিহাসের দিকে দৃষ্টিপাত করেন তবে অবশ্যই জানতে পারবেন যে,১৭৫৭ সালের ২৩ জুন পলাশির প্রান্তরে বাংলার মুসলমানদের বিপর্যয় পর পুরো ভারতে উপনিবেশিক শক্তি তথা(খৃস্টবাদ ) তাদের ক্ষমতাকে সুসংহত করে জাতীয় ,ধর্মীয় ও সমাজ জিবনে ব্যাপক রপান্তর ও বিবর্তন সূচিত করেছে । ইংরেজ শক্তির উত্থানের সাথে সাথে এ অঞ্চলের মুসলমানদের ভাগ্য বিপর্যয়ের সূচনা হয়। আরও...
| 08 Sep, 2026 |
| 28 Jan, 2026 |
| 18 Oct, 2025 |
| 25 Sep, 2025 |
| 28 Aug, 2025 |
আসসালামু আলাইকুম
সম্মানিত অভিভাবক, আপনি নিশ্চয়ই জানেন, আল-কুরআনের সর্বপ্রথম নাযিলকৃত আয়াত হল- ‘পড়! তোমার রবের নামে যিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন।’ অর্থাৎ ইসলামে জ্ঞান অর্জন করতে আদেশ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে রসুল (স.) ইরশাদ করেছেন- ‘প্রত্যেক মুসলিম নর-নারীর জন্য (কুরআনের) জ্ঞান অর্জন করা ফরজ (ইবনে মাজাহ)।’ আবার সূরা আর-রহমানের ১, ২ ও ৩ নং আয়াতে আল্লাহ (সুবা.) বলেন, ‘তিনি দয়াময়! কুরআন শিক্ষা দিয়েছেন। মানুষ সৃষ্টি করেছেন।’ অর্থাৎ প্রথমে এসেছে কুরআন শিক্ষা এবং পরে এসেছে মানব সৃষ্টির কথা। অর্থাৎ কুরআনের জ্ঞানে জ্ঞানী হওয়ার মাধ্যমেই একজন মানুষ প্রকৃত মানবিক গুণসম্পন্ন ও আদর্শ মানুষ হয়ে উঠতে পারে। রসুল (স.) আরও বলেন, তোমাদের মধ্যে সেই শ্রেষ্ঠ যে নিজে কুরআন শেখে ও অন্যকে শেখায় (বুখারি)।’ অন্যত্র রসুল (স.) বলেন, ‘কুরআন (প্রত্যেকের জন্য) সুপারিশকারী হবে, হয় তোমার পক্ষে অথবা তোমার বিপক্ষে (মুসলিম)।’ সূরা ত্ব-হা এর ১২৪, ১২৫ ও ১২৬ নং আয়াতে আল্লাহ্ (সুবা.) বলেন, ‘এবং যে আমার স্মরণ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে তার জীবিকা সংকীর্ণ হবে এবং আমি তাকে কিয়ামতের দিন অন্ধ অবস্থায় উঠাব। সে বলবেঃ “হে আমার রব, আমাকে কেন অন্ধ করে তুললেন? অথচ আমি তো ছিলাম দৃষ্টিশক্তিসম্পন্ন।” আল্লাহ বলবেন: “এমনিভাবে তোমার কাছে আমার আয়াতসমূহ এসেছিল, অতঃপর তুমি সেগুলো ভুলে গিয়েছিলে। তেমনিভাবে আজ তোমাকে ভুলে যাব।” অর্থাৎ কুরআনের জ্ঞান অর্জনের গুরুত্ব অনুধাবনের জন্য উপরের আয়াত এবং সহীহ হাদিসগুলো বিশ্লেষণ করাই আমাদের জন্য যথেষ্ট। যদিও এর স্বপক্ষে আরো অসংখ্য কুরআনের আয়াত এবং সহীহ হাদিস রয়েছে। আরও...